পাঠাও প্রেস

আমাদের প্রেস রিলিজ, প্রেস কভারেজ ও প্রেস কিট

Pathao press

পাঠাও প্রেস

জানুয়ারি 14, 2026

ফিউচার লিডারদের নিয়ে পাঠাও-এর ‘AIM’ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম ২০২৬

Pathao Nurturing Future Industry Leaders with AIM Internship Program 2026

স্বপ্ন যখন বড় কিছু করার, তখন দরকার শুধু একটা ক্যারিয়ারের হাতেখড়ির সুযোগ। আর সেই সুযোগটাই করে দিচ্ছে পাঠাও। জানুয়ারি মাসের শুরুতে পাঠাও-এর হেড অফিসে অরিয়েন্টেশন সেশনের মাধ্যমে ওয়েলকাম করে নেওয়া হয়েছে তরুণ মেধাবীদের। শুরু হলো তাদের নতুন এক জার্নি, AIM ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম ২০২৬।

২০২২ সালে শুরু হওয়া AIM হলো পাঠাও-এর ফ্ল্যাগশিপ ইন্টার্নশিপ উদ্যোগটি। ‘AIM’ শব্দটির ফুল ফর্ম হলো Anticipate Problems (সমস্যাকে আগেই অনুমান করা), Ideate Solutions (সমাধানের আইডিয়া বের করা), এবং Manage till Completion (শেষ পর্যন্ত কাজটা সম্পন্ন করা)। পাঠাও-এর টিমগুলো যেভাবে প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে, সেই একই ফ্লেভার ইন্টার্নদের মাঝে ছড়িয়ে দিতেই এই ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। এখানে কেবল খাতা-কলমে শিক্ষা নয়, বরং রিয়েল-লাইফ প্রজেক্টে সরাসরি কাজ করার সুযোগ দিয়ে তরুণদের আত্মবিশ্বাস আর প্রফেশনাল ফাউন্ডেশন শক্ত করাই এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য।

যারা কেবল থিওরিটিক্যাল পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ না থেকে ক্যারিয়ারেও ফোকাস দিতে চান, তাদের জন্যই এই AIM ইন্টার্নশিপ । এখানে অভিজ্ঞ মেন্টরদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে ইন্টার্নরা নিজেদের কনফিডেন্স বাড়াতে পারেন।

এ বছরের আয়োজনে সারা দেশ থেকে অভাবনীয় সাড়া পাওয়া গিয়েছে। প্রায় ৪,০০০ এরও বেশি আবেদনকারীর মধ্যে থেকে প্রথম রাউন্ড শেষে ৩৫০ জন ইন্টারভিউয়ের জন্য বাছাই করা হয়। সবশেষে তাদের মধ্য থেকে সেরা ১৫ জন প্রতিভাবান তরুণ এ বছরের ‘AIMer’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এবারের ইন্টার্নরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, রুয়েটসহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এইচআর প্রধান (VP) এইচ. এ. সুইটি  তাদের  উদ্দেশ্যে বলেন:

“পাঠাও পরিবারে তোমাদের স্বাগতম! তোমাদের নতুন সব আইডিয়া আর এনার্জি আমাদের টিমগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করবে। আমি বিশ্বাস করি, তোমাদের এই শেখার আগ্রহ আর কৌতূহল তোমাদের অনেক দূর নিয়ে যাবে। এই পথচলা যেমন চ্যালেঞ্জিং হবে, তেমনি হবে আনন্দময়। মনে রাখবে, যেকোনো প্রয়োজনে আমরা সবসময় তোমাদের পাশে আছি। শুভকামনা তোমাদের জন্য!”

নতুন এই AIMer-দের হাত ধরে পাঠাও আরও একবার প্রমাণ করলো যে, তরুণ মেধার সঠিক পরিচর্যাই পারে ভবিষ্যতের ইন্ডাস্ট্রি লিডার তৈরি করতে। এই ১৫ জন তরুণের পেশাদার জীবনের এই নতুন অধ্যায় যেন সফল হয়, এমনটাই সবার প্রত্যাশা।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও, এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করছে যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে পাঠাও শীর্ষস্থানে রয়েছে। ১৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৪,০০,০০০ পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২,০০,০০০ মার্চেন্ট এবং ১৫,০০০ রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালনা করছে পাঠাও। প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৬,০০,০০০-এরও বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।